থার্ড টেম্পলদ ও নতুন এক বিশ্বব্যবস্থা তৈরির এক মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইয়াহুদীরা। প্রিয় ভাই ও বোন প্রতিটি যুগের শুরু এবং শেষ আছে, আর আমরা সম্ভবত যুগের সমাপ্তিতে এসে পড়েছি। এ যুগ ১২ বছরে গণনা করে যে যুগ বলা হয় সেই যুগ নয়। এটা পুরাতন বিশ্ব ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে নতুন এক বিশ্ব ব্যবস্থার দিকে অগ্রযাত্রার যুগ।
একটা সময় আমরা মোসলমানরা ছিলাম প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বাবলম্বী। জ্ঞান, বিজ্ঞান,অর্থনীতি, রাজনীতি, সবকিছুতে ছিল মুসলমানদের সমান তালে জয়জয়কার।সময়ের পরিক্রমায় আমরা এখন হয়ে গেছি এক ব্যর্থ জাতি, খেলাফত পতনের পরপর আমরা হয়ে গেছি যৌলুশ বিহীন, বোধহীন এক অধম জাতি।
খেলাফত বিহিন, একই সাথে বড়ো সাম্রাজ্যগুলোর পতন পৃথিবী মুলত এক মহা পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করেছে। গত ১০০ বছর সেই পরিবর্তনের মাঠ তৈরি হয়েছে। মুসলমানরা বলে এটা আমাদের ইমামের আগমনের যুগ,খ্রিস্টানরা বলে এটা আমাদের যীশুর পুনরায় আগমনের সময়, হিন্দুধর্ম বলে এখন শেষ যুগ কলি যুগ চলছে । আর ইহুদিরা বলে এটা গ্রেট এলিয়ার সময়। আর পুরো কাহিনি এখানেই,প্রতিটি ধর্মই তারা চূড়ান্ত সমাপনীতে এসে পৌঁছেছে,সবাই বিজয়ীর মুকুট পড়তে চায় কিন্তু বিজয়ী এক দলেরই হবে তা হলো ইসলাম।
ধর্মগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাত কাদের সাথে হবে তা নিয়ে একটু বলি।আপনার কাছে অবাক মনে হলেও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার রহস্য,কথিত কিছু মানুষের প্রত্যাবর্তন অর্থাৎ গ্রেট এলিয়ার জন্যই হয়েছে। একটু মাথা খাটিয়ে দেখুন, ঠিক কি কারণে নিজেদের পূর্ণমাত্রা শক্তিমত্তা থাকার পরেও ব্রিটিশরা নিজেদের কলোনি গুটিয়ে আমেরিকা কে সুপার পাওয়ার হিসেবে সমর্থন করেছে।নিশ্চয়ই এটা অনেক বড় রহস্য হওয়ারই কথা। আর এই রহস্যটা হল, শয়তানি মিডিয়ার মানবিক বন্ধু দাজ্জালের আগমন। ঠিক ১০০ বছর থেকে তার আগমনের জন্য তার অনুসারীরা মাঠ তৈরি করেছে।
কয়েকবছর আগে ইজরায়েলের একটি স্বনামধন্য মিডিয়া haaretz এ এক ইহুদী ( রাবি) দাবি করেছে তার সাথে দাজ্জালের সাক্ষাৎ হয়েছে। এবং তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাস ওভারের আগেই তার,আগমন ঘটবে। পাস ওবার নিয়ে পরবর্তী কোন এক আলোচনায় কথা বলব। নিউজটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২০ সালে। ঠিক সেই সময় থেকে আগের ছেয়ে বেশ নড়ে চড়ে বসেছে রাষ্ট্রটি। কঠিন থেকে কঠিনতরা চক আকতে থাকে, কিভাবে তারা থাপটাম্পল নির্মাণ করবে। উল্লেখ্য দাজ্জাল আগমনের অন্যতম শর্ত হলো থার্ড টেম্পল তৈরি করা।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা একটা চুক্তির দিকে অগ্রসর হয়েছিল আরবের কিছু মুনাফিক নেতার সাথে। যদি চুক্তিটি হতো তবে থার্ড টেম্পল নির্মাণ অনেকাংশেই এগিয়ে যেত। কিন্তু পবিত্র ভূমির ভাইয়েরা এটা বুঝতে পেরেই, নিয়েছে এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। তারা জানতো এর পরে কি হবে, তার ছেয়ে বড়ো যে আমাদের নবীজির স্মৃতি বিজড়িত সেই মসজিদুল আকসার অস্তিত্ব। আপনি কখনো ভাববেন না পবিত্র ভূমির ভাইয়েরা তাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছেন!!নাহ বরং তারা লড়াই করছেন মসজিদুল আকসার জন্য, যে কাজটা আমাদের সবার করার দরকার তা একাই তারা করতেছেন।
এবার আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই জেরুজালেম কে সর্বপ্রথম ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা কে দিয়েছে? ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইতো? যদিও আমেরিকার সব প্রেসিডেন্ট এর কাজ হল ইসরালের গোলামি করা,কিন্তু সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প নামক এই ব্যক্তি? একটু খেয়াল করে দেখুন ডোনাল্ড ট্রাম্প যতবার জয়লাভ করেছে, তার বিরোধি পক্ষ ছিল মহিলা, তবে এটা কি জাস্ট আনুষ্ঠানিকতা। হিলারি ক্লিনটন থেকে কমলা হ্যারিস সবই ছিল ট্রাম্প কে ক্ষমতায় আনার নাটকীয়তা।
ইহুদিদের স্বার্থে ট্রাম্পের ছেয়ে আর বিকল্প কে? তাই তো আবারো তার ফিরে আসা। সময় অনেক কম আপনি দেখবেন বিভিন্ন রাষ্ট্রের যুদ্ধে জড়িয়ে জাওয়া আমেরিকা বিভিন্ন ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিবে জেরুজালেম কেন্দ্রিক।সময় অনেক কম কাজ অনেক কঠিন।
ইরাক আক্রমণের সময় বুশ বলেছিল সে তার প্রভুর আদেশেই ইরাক আক্রমন করেছে।সম্ভবত বুসের সেই প্রভু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জেরুজালেমের দখলের সহযোগিতার জন্য প্রেসিডেন্ট হিসাবে সুপারিশ করেছে। আমি সিউর জানি না বুস কোন প্রভুর কথা বলেছে, তবে আমি জানি তাদের দুই প্রভু শয়তান ও দাজ্জালের অবস্থান কিন্তু সমুদ্রে রয়েছে।
এই তো বললাম তাদের বাতিল কিতাবের বিশ্বাসের কথা। তারা তাদের পরিকল্পনা কিছুটা এগিয়ে আসলেও মসজিদুল আকসা ভেঙে ফেলা অসম্ভব ইনশা আল্লাহ। আপাতত তাদেরকে শক্তিশালী মনে হলে ও একদিন ইসা আলাইহিস সালাম আসবেন তাদের এবং তাদের প্রভু দাজ্জাল কে হত্যা করতে। সেদিন তারা পাথরের নিচে পালালে ও পাথর বলে দিবে আমার পিছনে ইয়াহুদি লুকিয়ে আছে? প্রিয় ভাই ও বোন কখনো ভেবে দেখেছেন পাথর কেন সেদিন কথা বলবে?
হতাশ হওয়ার কিছু নেই তারা তাদের এলিয়ার কথা বলে যত দ্রুত জেরুজালেম দখল করতে চাইবে, বুঝে নিতে হবে ইমাম মাহাদীর আগমন তত নিকটতম হবে ইনশা আল্লাহ। দুনিয়া আমেরিকান নয় আল্লাহ চালায়,তিনি জালেমদের ধ্বংস করার জন্য নির্দিষ্ট একটা সময় বেছে নিয়েছেন।
সাইদুল ইসলাম সজীব
০৯/০৫/২০২৫
আমাকে আরও যেখানে পাবেন : S I Sojib
আপনার কাছে লিখা পৌঁছেছে কিনা অবশ্যই জানাবেন। মেনশন করে আরেকজনকে পড়র সুযোগ করে দিন