বাংলাদেশ, গাজওয়াতুল হিন্দ এবং আরাকান আর্মির হুমকি | বিশ্লেষণ
গাজওয়াতুল হিন্দ, আরাকান আর্মি এবং ভারতের আগ্রাসন—বাংলাদেশ কী প্রস্তুত? বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিরাপত্তা এবং সামরিক সক্ষমতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ।
http://gazwatul-hind-arakan-army-threat-bangladesh
সীমান্তের ওপারে প্রস্তুত হচ্ছে জল্লাদের দল।
সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের মানুষদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ইতিহাসের এক ভয়ংকর জল্লাদের দল। আমি আমার পূর্বের অনেক আলোচনায় বলেছি এই উপমহাদেশের ভূমি ক্রমান্বয়ে তার চূড়ান্ত বাস্তবতার দিকে এগুচ্ছে আর তা হলো গাজওয়াতুল হিন্দ।
বাংলাদেশের মানুষ ইরান জলপাই ভূমির ভাইদেরকে নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত।অথচ এ দেশ হয়ে গেছে অলরেডি ইরান , জলপাই ভূমির মত দুর্দশা গ্রস্থ।
বাংলাদেশে ভারত কখন আক্রমণ করবে জানিনা। তবে সম্ভবত সবার আগে আক্রমণ করে বসবে ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর পাশবিক গুষ্টি আরকান আর্মিরা। মনে হচ্ছে সীমান্তের ওপারে প্রস্তুত হচ্ছে মানুষের মতো দেখতে কিছু অমানুষ জল্লাদেরা। অথচ এই বিষয় আমরা কতটুকু সচেতন আমরা কি জানি আমাদের জন্য কি অপেক্ষমান?
সারা পৃথিবীতে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে।আর মুসলমানদেরকে সর্বোচ্চ নৃশংস কায়দায় যারা হত্যা করতেছে তার মধ্যে অন্যতম হলো আরকান আর্মি।ইতিহাসে ব্লাদ ড্রাকুলা, বর্বর মঙ্গলারা মানুষকে যে পাশবিক কায়দায় হত্যা করত, যারা ইতিহাস পড়েছেন তারা জানেন। একই কায়দায় এরা মানুষকে সেই নৃশংস ভাবে হত্যা করতেছে।
চারদিকে যুদ্ধের দামামা বাজে। বিশ্বের প্রতিটি ভূখণ্ডই এখন গ্লোবাল রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। সবাই নিজেদের রাষ্ট্র গঠন এবং সামরিক সক্ষমতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অথচ যে ভূখণ্ডটি সর্বোচ্চ বিপদজনক সীমারেখায় থেকে অন্য রাষ্ট্রগুলোর চেয়েও নিজেদের সামরিক সক্ষমতার দিকে জোর দেয়ার কথা। সেখানে তারা পিছিয়ে আছে অন্য সবার চেয়ে বেশি ।
আমি আপনাদের বাংলাদেশের কথা বলছি। একটি মুসলিম রাষ্ট্র যার তিন পাশে ভারত, নাপ নদীর ওপারে আছে মায়ানমার। এত দিন ভূখণ্ডটি ভারতের শত্রুতায় অর্ধমিত অবস্থায় পৌঁছেছে, ঠিক তখনই নতুন শত্রুর আবির্ভাব আর সেটি হচ্ছে আরাকান আর্মি। মনে রাখবেন এরা ভয়ংকর এবং নৃশংস গোষ্ঠী….
এরা কেমন ভয়ংকর তা বুঝার জন্য রোহিঙ্গাদের দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। শোনা যাচ্ছে তারা সবাইকে বাধ্য করতেছে তাদের আর্মিতে যোগ দেয়ার জন্য এবং বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণও দিচ্ছে । আরও দুশ্চিন্তারা ব্যাপার হলো আরাকান আর্মি তাদের মানচিত্রে পারাবত্যা চট্টগ্রামকে ইনক্লুড করেছে। বুঝেন এবার পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে গেছে।
দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ভেবেছেন?
মনে হয় এতদিন পারাবত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতের ষড়যন্ত্রই যথেষ্ট হয়নি। এখন নতুন করে শত্রু হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে আরাকান আর্মি। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিরাপত্তা, বাংলাদেশ চারদিক থেকে ঘেরা শত্রুর অবস্থান অনুযায়ী। ইসলামপন্থী এবং এ দেশের সচেতন মহলের কাছে আমরা প্রশ্ন?
আপনারা কি আপনাদের দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ভেবেছেন? আগামী দিনের বিশ্ব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেছেন? ধর্মীয় কিতাবের ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী গাজওয়াতুল হিন্দ , ভারতের আগ্রাসন এবং আরকান আর্মির থ্রেড মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি কি? আমাদের সামরিক সক্ষমতার অবস্থান কি? আমাদের জনগণের প্রস্তুতি কি?
মনে রাখবেন ভূখন্ড বিবেচনায় এদেশের প্রতিটি নাগরিকের সামরিক প্রশিক্ষন ণেয়া বাধ্যতামূলক এবং সময়ের দাবি। একটা যুদ্ধ লেগে গেলে প্রতিবেশী কোন রাষ্ট্রই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে না ? সহ-সভাপতি রা তখন নিজেদেরকে সহ-সভাপতি দাবি করবে না। অতএব নিজ দেশের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে, নিজ দেশের জনগণকে নিয়ে।অবশ্যই অবশ্যই রাষ্ট্রশক্তির ভাবা উচিত।
প্রিয় ভাই ও বোন মনে রাখবেন। আপনি যত দূরে দেখবেন তত আপনি শক্তিশালী হবেন। আপনি যত নিকটে দেখবেন ধ্বংস তত তাড়াতাড়ি আপনার বাড়ির নিকটে আসবে। আল্লাহ আমাদের এই ভূখণ্ডকে, ইসলাম ইসলাম প্রিয় মুসলমানদেরকে হেফাজত করুক।
সাইদুল ইসলাম সজীব
১৮/০৬/২০২৫
সাবস্ক্রাইব করুন আখিরুজ্জামান ইউটিউব চ্যানেল।
https://youtube.com/@akhirujjaman?si=dlncegDgSxYTT2dC