Akhiruzzaman

গারকাদ গাচ ও ইহুদিদের প্রস্তুতি।

ছবিতে যে গাছটি দেখছেন সেটি গারকাদ” গাছ। আসুন একবার হাদিসটা পড়ে নেয়া যাক তারপর বিস্তারিত আলোচনা।

হযরত আবু হুরাইরা রা: থেকে বর্ণিত,রাসূল(সা:) বলেন, “মুসলমান ও ই[হুদী]দের মাঝে যুদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না।মুসলমানরা ই[হুদি]দের হত্যা করবে।এমনকি ই[হুদি]রা গাছ ও পাথরের আড়ালে লুকাবে।তখন গাছ ও পাথর বলবে “হে আল্লাহর বান্দা,এই যে আমার পিছনে একটা ই[হুদি] লুকিয়েছে তুমি এসে একে হত্যা করো।তবে শুধু “গারকাদ” গাছ বলবেনা, কেননা সেটি ই[হুদি]দের গাছ।
(সুনানে আবু দাউদ,খন্ড-৪,পৃষ্ঠা-২২৩৯)

এবার আসি মূল বিষয়। ২০১৮ সালে ইসরাইলের পার্লামেন্ট শুধুমাত্র এই গাছটি রোপনের জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের একটি বাজেট পেশ করে। তাদের ধর্মীয় কিতাব মতে দাজ্জালকে আত্মপ্রকাশ করাতে হলে তাদের নিখুঁত লাল গাভীর দরকার ছিল। এবং তারা সেটি পেয়েছে এবং জবাই করে এ রক্ত ইসরাইলের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা এ রক্ত দিয়ে হাত ধুয়ে পবিত্রতা অর্জন করে। তাদের ধর্ম অনুযায়ী দাজ্জালকে পৃথিবীতে আনতে তাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। থার্ড টেম্পল তৈরি, শুধু একটি বিষয় বাকি রইল সেটা হচ্ছে তিনটা বিশ্বযুদ্ধ। দুইটা অলরেডি হয়ে গেছে বাকি রইল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এবং সেটি খুব নিকটে তা তারা ভালো করেই জানে। লাল গাভী পাওয়ার ফরেই।ইহুদীদের ধর্ম গুরুদের পরামর্শে এই গারকাদ গাছ সারা ইজরায়েল জুড়ে রোপন করা হয়।

গত কিছুদিন আগে ইসরাইলের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা দাবি করে বসে তার সাথে দাজ্জালের বৈঠক হয়েছে।যা এর আগে তারা কখনোই স্বীকার করত না। বৈঠকের পর পরেই ইজরায়েলের প্রতিটি বাড়ির বাগানে গারকাদ গাছ রোপণ করা বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছে। কি বুঝলেন বিষয়টা?

তলে তলে ইহুদি-খ্রিস্টান সবাই জানে বিশ্ব কোন দিকে যাচ্ছে। শুধু জানি না আমাদের মডারেট মুসলমানেরা।তারা আছে মজলুমের উপর জুলুমে
ব্যস্ত। আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন সামনে বিশাল একটা কচুকাটা আসতেছে এবং সেটির জন্য আপনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া দরকার।আল্লাহ মজলুমদের হেফাজত করুক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading Logo
Scroll to Top