Akhiruzzaman

পাহাড়ে কেন আজান দিলো?

পাহাড়ে কেন আজান দিলো?
গ্রেফতার করা হলো দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীকে

সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক। চট্টগ্রামের একটি দর্শনীয় স্থান। সুউচ্চ পাহাড়, ঝর্ণা ও পার্ক–সবমিলিয়ে দর্শনার্থীদের একটি পছন্দের জায়গা।
সবার মতো বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যায় কিছু মাদরাসা শিক্ষার্থী। নামাজের সময় হলে আজান দিয়ে নামাজ আদায় করে তারা। ঘোরাঘুরির অন্যান্য ছবির সঙ্গে আজানের ছবিও ফেসবুকে পোস্ট করে তারা।

ক্যাপশনে লিখে :
চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠে আজান দিলাম আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ অতিশীঘ্রই সেখানে ইসলামের পতাকা উড়বে।

ব্যাস, এতেই ক্ষেপে গেলো হিন্দু ভাইদের একটি অংশ। এটাকে রূপ দিলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত হিসেবে। মামলা হলো। সর্বশেষ গ্রেফতার করা হলো ওই দুই শিক্ষার্থীকে।

এখানে এমন কী উস্কানী ছিলো? এমন কী আঘাত ছিলো? বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ এর ১ এর ক ধারা অনুযায়ী, “প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে”

তারা সীতাকুণ্ড পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দিরে কিংবা মন্দির চত্বরে আজান কিংবা নামাজ পড়েনি। তবুও এ অবস্থা? তাহলে আমরা কেন বলতে পারি না, এতে একজন স্বাধীন নাগরিককে তাঁর ধর্মপালনে বাঁধা দেয়া হয়েছে? তাদের গ্রেফতার করে কোটি-কোটি মুসলমানদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করা হয়েছে??

আমরা তাদের অনতিবিলম্বে মুক্তি চাই!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading Logo
Scroll to Top