Akhiruzzaman

সৃষ্টিগত ভাবে প্রত্যেক আদম সন্তানকেই আল্লাহ তায়ালা কিছু আবেগ-অনুভুতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।

সৃষ্টিগত ভাবে প্রত্যেক আদম সন্তানকেই আল্লাহ তায়ালা কিছু আবেগ-অনুভুতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আর তা হল নারী-পুরুষ একে অপরের প্রতি আকর্ষণ, ভালবাসা ইত্যাদি।
.

স্বয়ং আদম (আঃ) স্বয়ং জান্নাতের মত সুখ শান্তির স্থানে থেকেও মানুষিক ভাবে প্রশান্তি পাননি। কেন.?
কারন তিনি নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্ততায় ভুগছিলেন। প্রতি মুহুর্তে তিনি কিছু একটা মিস করছিলেন, কি যেন একটা নেই।
.

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার বান্দার মনের অবস্থা বুঝেন, তিনি জানেন কেন তার বান্দা জান্নাতের মত উত্তম জায়গায় থেকেও শান্তি পাচ্ছেনা।.
অতঃপর আল্লাহ তায়ালা আদম (আঃ) কে প্রশান্তি দানের জন্য সৃষ্টি করলেন মা হাওয়া (আঃ) কে। যাকে সৃষ্টি করেছেন তার একাকিত্যতার সঙ্গিনী হিসেবে। এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন তার শরীরের অংশ থেকেই। যেই জন্য স্ত্রীদেরকে অর্ধাঙ্গিনী বলা হয়।
.

স্বয়ং আদম (আঃ) একজন নবী হয়েও যখন জান্নাতের মত মহান স্থানে থেকে শান্তি পাননি একজন সঙ্গিনী ছাড়া, তাহলে কিভাবে আমরা পাপী বান্দারা দুনিয়ার মত দুঃখ কষ্টের জায়গায় থেকে শান্তি পেতে পারি.?
.
তাই মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের জন্য বিধান দিয়েছেন, আর এই আবেগ-অনুভুতির বহিপ্রকাশের জন্য বিয়ে নামক পবিত্র একটি রিলেশনের ব্যবস্থা করেছেন। (সুবহান আল্লাহ)।
.

কিন্তু আমাদের মাঝে অনেক ভাইরা আছেন যারা অর্থনৈতিক অসামর্থতার জন্য বিয়ে করতে পারছেনা। তারা পারছেনা নিজের ইমান আমলকে হেফাজত করার জন্য, নিজের আবেগ-অনুভুতির বহিপ্রকাশের জন্য বা নিজের একাকিত্বতার সঙ্গী হিসাবে কাওকে গ্রহণ করতে। তাদের জন্য এই বিষয়টা আরও অনেক বেশি কষ্টের। এইসব দ্বীনি ভাইদের যদি কোনরকম একটা হালাল ইনকামের ব্যাবস্থা হয়ে যেত যাতে সংসার চালানো যায় তাহলে তাদের অনেকেই হয়তো বিয়েটা করতে পারতেন। আলহামদুলিল্লাহ।
.

আল্লাহ আমাদেরকে হালাল ইনকামের তৌফিক দান করুক এবং সকল অবিবাহিত ভাইদেরকে একজন নেক ও দ্বীনদার জীবনসঙ্গিনী দান করুন, আমিন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading Logo
Scroll to Top