নিশ্চয়ই আগুন আল্লাহর বাহিনী,যা দিয়ে আল্লাহ জালেমদের পাকড়াও করেন।
আর নিশ্চয়ই এই আগুন আল্লাহর বাহিনী, এ বাতাস আল্লাহর বাহিনী। পৃথিবী এবং এর বাহিরে যত কিছু আছে সব কিছুই আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন। আর বাহিনী সমূহের মধ্যে মানুষ সৃষ্টির সেরা। আর কিছু মানুষ আল্লাহর এত বেশি প্রিয় হয়েছে যে ফেরদাউস হয়েছে তাদের ঠিকানা। ইসলামের ভাষায় যাদের বলা হয় হিজবুল্লাহ (আল্লাহর সৈনিক)
আল্লাহ তায়ালা মহাগ্রন্থ আল কোরআনে বলেন : তোমার প্রতিপালকের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানে না। (সুরা আল মুদ্দাসিসর)
আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা করা উচিত, যেমন ভাবে ভরসা করলে আল্লাহর সাহায্য আসে। আমাদের আল্লাহকে ভালোবাসা উচিত যেমন ভাবে ভালবাসলে , জমিনের সৃষ্টিগুলো ও আমাদেরকে ভালবাসবে। আল্লাহর বাহিনী হিসেবে আমাদের সাহায্য করবে।
স্মরণ করুন সেই দিনের কথা!!
যেদিন গুহার মুখে মাকড়সা জাল ভুনেছে এবং ঘুঘু পাখি ডিম পেড়েছে। আল্লাহর হাবিব গুহায় আশ্রয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকা তার বন্ধু আবু বকর রা: কে ভরসা দিয়ে বলেছেন, লা তাহযান ইন্নাল্লাহা মা আনা’: বিষন্ন হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন। আর আল্লাহ আদেশ দিলেন মাকড়শাকে, গুহার মুখে জাল ভুনতে।ঘুঘু পাখিকে আদেশ দিলেন ডিম পাড়তে, অবশেষে কাফেররা গুহার মুখে মাকড়সার জাল এবং ঘুঘু পাখির বাসা দেখে চিন্তা করেছে ইতিমধ্যে গুহায় কেউ প্রবেশ করেনি। আল্লাহ তার হাবিব সা: কে এভাবেই হেফাজত করেছেন।
স্মরণ করণ সেই দিনের কথা : যেদিন সমুদ্র আল্লাহর বাহিনী হয়ে মূসা আলাইহিস সালাম এর পক্ষ হয়ে ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়েছেন। সমুদ্রকে আদেশ করা হলো রাস্তা তৈরি করতে সমুদ্র তাই করেছে, আবার রাস্তাকে আদেশ করা হলো বিলীন হতে, রাস্তা বীলিন হয়ে গেছে । আর ফেরাউন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা নীল নদে ধ্বংস হয়েছে।
subscribe my YouTube channel।
স্মরণ করুন সেই অভিশপ্ত নমরুদকে। যেদিন মশা আল্লাহর আদেশে তার বাহিনী হয়ে তাকে পাকড়াও করেছে। মশা কামড়ায় আর নমরুদকে মাথায় মুগুর দ্বারা আঘাত করতে হয়। একদিন নমরুদের মাথায় মুগুর দ্বারা আঘাত করতে করতে সৈনিকটি নমরুদকে এত প্রচন্ডভাবে আঘাত করলো যে, তাতে নমরুদের মাথা ফেটে যায়। মাথা ফেটে গিয়ে নমরুদ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
স্মরণ করুন আফগানিস্তানের সেই বিস্তীর্ণ পাহাড় গুলোকে। যে পাহাড় আল্লাহর পথের সৈনিকদেরকে হৃদয় খুলে আশ্রয় দিয়েছে। সাহায্য করেছে পাহাড়রে থাকা বিষাক্ত সৃষ্টি গুলো। অসংখ্য সোভিয়েত সৈন্য মার্কিন সৈন্য আফগানিস্তানের পাহাড়ে থাকা বিষাক্ত সাপ ও বিচ্ছুর দারা নিহত হয়েছে । এমন অসংখ্য ঘটনা রয়েছে, যোদ্ধাদের ক্যাম্পের পাশে সাপ বিচ্ছু থাকতো কিন্তু তাদেরকে দংশন করত না।
স্মরণ করুন জুলাইয়ের সেই দিনগুলো : যেদিন বৃষ্টি আল্লাহর বাহিনী হয়ে খুব ভোর থেকে ঝরে পড়তো, আর জালেমরা তখন গভীর ঘুম আচ্ছন্ন থাকতো। আর ঠিক সেই মুহূর্তে আল্লাহর পথের যোদ্ধারা ঠিকই বেছে নিতো রণাঙ্গনকে।
প্রিয় ভাই ও বোন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন আর রাসূলকে পাঠাবেন না, কিন্তু তিনি একবারও বলেননি যে তার সাহায্য আসবে না। তার সাহায্য অবশ্যই অবশ্যই আসবে,যুগের পর যুগ তা চলতেই থাকবে। তবে আমাদের হতে হবে সেই পবিত্র হৃদয়ের যেন আসমানের দিকে হাত তুললেই আল্লাহর সাহায্যও আসে।
আল্লাহ যাদের সাহায্য করেন।
এ বিষয়ে পবিত্র কুরআনুল কারীমে বর্ণিত আছে।
যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোনো পথ তৈরি করে দেবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দান করবেন, যা তার ধারণার বাইরে।)
হে আমার ভাই,আপনারা কি দেখেননি : অভিশপ্তদের দখল করা ভূমিতে কয়েক ডজন আগুন লেগেছে – এবং একটিও আরব অঞ্চলে নেই।”
বিশ্বস্ত তথ্য মতে (ইসরায়েল)
( ফিলিস্তিন) এর কৃষি জমি পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য এ আগুন দিয়েছে। আর বাতাস আল্লাহর বাহিনী হয়ে মোড় ঘুরিয়ে দিছে। আল্লাহ অবশ্যই তার প্রিয় বন্ধুদের সাহায্য করেন,যদি সমগ্র মানুষ কথাও না বলে সেদিন পাথর ও মুখ খুলবে। কথা বলবে আর আহ্বান করবে ধ্বংস করুন এই অভিশপ্ত কে যে লুকিয়ে রয়েছে অমুক স্থানে।
সাইদুল ইসলাম সজীব
১/০৫/২০২৪