NCP-এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নীতি কি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ হবে? এই ব্লগে বিশ্লেষণ করা হয়েছে আমেরিকান প্রভাব, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য নীতিগত অবস্থান।
আমেরিকা তার পছন্দের দল পেয়ে গেছে। ইতিমধ্যে তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আমরা কিছুদিন আগে আয়না ঘর থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমার আশঙ্ক আশঙ্কা (আল্লাহর কাছে দোয়া করি তা মিথ্যে হোক) হয়তো আমাদের আবু গারিবের কারাগার দেখা লাগতে পারে।
ছোট পরিসরে টুকটাক কিছু স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেয়ার কারণে বেশ কিছু ভাই তাদের স্বপ্নের কথা আমাকে বলেছেন। আমি নিজে ও একটা স্বপ্ন দেখেছি। আমার স্বপ্নটির ব্যাখ্যা বের করতে আমার বেশ সময় লেগেছে। আপনারা জানেন কেয়ামতের আগে মুমিনের স্বপ্ন (স্বপ্নসুত্র) অব মূল্যায়নের সুযোগ নেই। আমরা বড় মাফিয়ার হাতে পড়তেছি সচেতন হোন।
যাইহোক আমি স্বপ্ন দিয়ে নয় বাস্তবতার আলোকে কিছু কথা বলি। যদি আমার জাতি (ভয়াবহ নির্যাতন থেকে নিজকে বাঁচাতে চায়,আরেকটা আমু গারিব দেখতে না চায় তাহলে এদেরকে থামান। এরা কারা জানেন? আমেরিকার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কিছু ( অভিশপ্ত মানুষ) ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে আমাদের দেশ, আমাদের সভ্যতা, ধর্মকে বড়ো কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলতেছে। (কা / মি) কে কমিটিতে রাখা, নারি প্রস্তাবনা, ইনক্লুসিভ বাংলাদেশের নামে ভয়াবহ সব এজেন্ডা যখন সামনে এসেছে তখনই আমাদের সচেতন হওয়া উচিত ছিল।
উপদেষ্টাদের বিতর্কিত বক্তব্য ও আস্থা সংকট
NCP-এর শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক উপদেষ্টার পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সম্প্রতি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে। বাকের মজুমদারসহ কিছু শীর্ষ নেতার অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় জনমনে সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়েছে।
কাকতালীয় নাকি পরিকল্পিত আগমন?
আরেকজনের নাম আমি (নিবো না) তার পুরাতন গন্তব্যস্থল থেকে এখানে আসাটা কাকতালীয়। টোটাল কথা হচ্ছে আমরা এন সি পি কে আর বিশ্বাস করতে পারতেছি না। বিশ্বাস করুন, বিশ্বাস করুন খেলাটা অনেক গভীর। কল্পনাও করতে পারবেন না। আর এই খেলাটা ৪/৫ জন লোকের হাতে। আপনাদেরকে বলছি লিখে রাখুন দেখবেন অনেক সমন্বয়ক (NCP) থেকে পদত্যাগ করবে না হলে তাদেরকে সরিয়ে দেয়া হবে। যাদের মধ্যে ধর্মীয় আবেগ আছে। আর এটার জন্য পারফেক্ট হলো মাহফুজদের মতো লোকেরা।
২ সাবেক শিবির নেতার বিদায়
বেশি দূরে যাওয়ার দরকার নাই। শিবিরের সাবেক এক্স ২ ডাবির প্রেসিডেন্ট কে সরানোর কাহিনী কোথা থেকে আসলো? কেন তাদের সরানো হলো? এই ঘটনার পরপরই জাসির উচিত ছিল (এনসিপিকে পুরোপুরি সহযোগিতা বন্ধ করা) আমি আমার জায়গা থেকে স্পষ্ট করে বলতেছি। এখনো যেসব এক্স ভাইয়েরা NCP তে আছেন, এদের সহযোগিতা করে স্টাবলিশ করতেছেন। আল্লাহর শপথ ভবিষ্যতে যদি কোন মেচ্যাকার নেমে আসে, কোন ইসলাম বিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন এ দেশে হয়। কেয়ামত পর্যন্ত তার অভিশাপ আপনাদের কবরে ঢুকবে।
মনে রাখবেন আমেরিকা যারা বন্ধু (সে তৌহিদী জনতার শত্রু) মাঝে মাঝে জামায়াত নেতা তাহের মিয়ার বক্তব্য দেখলে মাথায় রগ চটে যায়। লিবারেল ডেমোক্রেসি বলে বলে মিডিয়াতে তিনি যে হাইফ তোলেন। ভেবেছেন পশ্চিমাদের সুনজরে আসা যাবে। তা মিথ্যে, মিথ্যে কল্পনা। একদিন ঠিকই বুঝবেন জাশির দুই নেতারে আমেরিকার প্রেসক্রিপশনেই ncp থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।আমেরিকা মুখে যাই বলুক বাস্তবে জামায়েত কে বিশ্বাস করে না এটাই সত্য
এই লিবারল ডেমোক্রেসির আলাপ যতই করুন আমেরিকার ঠিক আপনাদের সাথে আন নাহাদার মতই আচারন করবে। একদিকে জনসমর্থন হারাবেন তৌহিদী জনতার, অন্যদিকে সুনজরে আসতে চাওয়া আমেরিকার আপনাদের চূড়ান্ত ধ্বংস করবে। অতএব শত্রু চিহ্নিত করে প্রস্তুতি নিন।
চীন আমেরিকার দিকে চোখ রাঙাচ্ছে। আর আমেরিকা কি এখানে ফক্সি রাষ্ট্র গঠন করবে? জনগণ ইসলামের দিকে ফিরে আসুন, বিএনপি কিংবা NCP এরা কেউ আমাদের ইমাম হতে পারেনা। ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক হন, সিদ্ধান্ত নিন। জুলুম চলবে নাকি থামবে!!!
আপনাদের স্বপ্নের কথা বলেছি। এটার ব্যাখ্যা কি হবে আশা করি বুঝেছেন। আমাদের আরেকটি বিপ্লবের জন্য তৈরি হতে হবে না হয় (প্রজন্মের পর ফজন্মের অভিশাপ আমাদের উপর পড়বে।
সাইদুল ইসলাম সজীব
১৫/০৫ ২০২৫