দেশে দেশে গণতন্ত্রের বহুরূপ? বিশ্ব মানবতায় গণতন্ত্র কতটুকু কার্যকর?

গণতন্ত্র ও মানবতা: বৈশ্বিক রাজনীতিতে সত্য না মুখোশ?
গণতন্ত্র কি সত্যিই মানবতার মুক্তির পথ, নাকি জুলুমের বৈধ মুখোশ? আমেরিকান আধিপত্য, বৈশ্বিক রাজনীতি ও সিস্টেম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি চিন্তাশীল বিশ্লেষণ।
ডেমোক্রেসির কত রূপ
গণতন্ত্রের কত রূপ : দেশে দেশে গণতন্ত্র কতো বৈচিত্র্যময়। কিন্তু আসলেই গনতন্ত্র কই? এটা জুলুমের সহযোগী টুল ছাড়া আজ অব্দি ভালো কোন দৃষ্টান্ত দেখাতে পেরেছে?
সহজ করে বলি একদিন পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ। তবে শর্ত হলো যেদিন মোসলমান তো অবশ্যই সাথে পুরো পৃথিবী আমেরিকান জুলুমবাজদের প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবে, এবং তার ছেয়ে বড়ো ব্যাপার হলো আমেরিকাকে পিছন থেকে যারা চালায় তাদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবে। সেদিন পুরো পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছায় শান্তি ফিরে আসবে।
মানবতার শত্রু ও ইসলামের উত্থান
এই একটা চক্র শুধু মুসলমানদের জন্য নয় গোটা মানবতার শত্রু। আল্লাহর সফথ মুসলমানরা আবারও অপরাজেয় জাতি হিসেবে নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবে; যেদিন এদের কথিত ডেমোক্রেসির অভিনয়কে একসাথে প্রত্যাখান করতে পারবে, সেদিন বিজয় আবারও মুসলমানদের দরজায় এসে হাজির হবে । তারা কোন গণতন্ত্র প্রচার করতে আসছে? যাদের নিজেদের মধ্যেই গণতন্ত্র নেই সে গনতন্ত্র?
আমেরিকার আধিপত্ববাদ ও একটি ভাবনার বিষয়
আজকে আমেরিকা (ভেনেজুয়েলা) একটা স্বাধীন দেশে নিজেদের স্বার্থের জন্য নারকীয় হামলার মাধ্যমে তাদের প্রেসিডেন্ট কে গ্রেফতার করে আরেকটি নজির বিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ।এর মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে শুধু মুসলমানরা নয়, অমুসলিম রাষ্ট্রগুলো আমারিকাকে সার্বভৌমত্বের জন্য দুশমন মনে করা শুরু করছে।
এহেন পরিস্থিতিতে শয়তান তারা সিংহাসন ও বদল করতে পারে । বৃটিশরা যেভাবে পরাশক্তির খোলস পরিবর্তন করে আমেরিকাকে পরাশক্তি বানিয়েছে, আমেরিকা ও হয়তো সে খোলস অন্য কোন রাষ্ট্রকে দিয়ে দিতে পারে । আজকে আমেরিকা যা করল তা হওয়ারই কথা আর এর সমাধান শুধুমাত্র আমেরিকা দিয়ে সমাধান হবে না। বরং সিস্টেম পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে আমেরিকান সুপার-পাওয়ার: ক্ষমতার উত্তরাধিকার
আসুন চিন্তার জগৎ দিয়ে খুঁজে বের করার চেষ্টা করি এই সিস্টেমের প্রবর্তক কারা। কারা ব্রিটিশ কে সাম্রাজ্যবাদী বানিয়েছে? একটা শক্তিশালী অবস্থায় থাকার পরেও ব্রিটিশদের অপ্রাসঙ্গিক করে আমেরিকা কে কারা সুপার-পাওয়ার বানিয়েছে । একের পর এক দেশের সাথে যুদ্ধ করা বাধায়? আর কারা সেখানে অস্ত্র ব্যবসা করে?
অতএব সমস্যার মুল জায়গা পৌঁছতে হবে। না হয় এই পৃথিবী কখনো নিরাপদ থাকবে না…কেবল নামের পরিবর্তন হবে, কখনো ব্রিটিশ, কখনো আমেরিকা, কখনো জার্মানি, কখনো চায়না। আর এভাবে একদিন আমাদের এগিয়ে নিয়ে হবে হক ও বাতিলের চূড়ান্ত সংঘাতের দিকে । সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয় ইনশাআল্লাহ।